admin পাসওয়ার্ড বদলে ১৬ অক্ষরের ইউনিক পাসফ্রেজ ব্যবহার করুন।
রাউটার সুরক্ষায় ১০টি আবশ্যকীয় চেকলিস্ট:
- WPS পিন সম্পূর্ণ বন্ধ রাখুন: বেশিরভাগ তথাকথিত "ওয়াইফাই হ্যাকিং অ্যাপ" আসলে WPS পিনের দুর্বলতাকে কাজে লাগিয়ে ৮ ডিজিটের পিন ব্রুট-ফোর্স করে পাসওয়ার্ড বের করে নেয়। WPS ডিসেবল থাকলে কোনো অ্যাপই পাসওয়ার্ড ভাঙতে পারে না।
- WPA3 বা WPA2-AES এনক্রিপশন ব্যবহার করুন: কখনোই WEP বা WPA-TKIP সিলেক্ট করবেন না। এগুলো মুহূর্তের মধ্যে ডিক্রিপ্ট করা সম্ভব। সবসময় WPA2-PSK (AES) বা WPA3-SAE এনক্রিপশন নির্বাচন করুন।
- রিমোট ম্যানেজমেন্ট (Remote Web Access) বন্ধ রাখুন: WAN সাইড থেকে পোর্ট ৮০৮০ বা ৮৪৪৩-তে রাউটার ম্যানেজমেন্ট অফ রাখুন, যাতে লোকাল ওয়াইফাই ছাড়া পৃথিবীর আর কোনো প্রান্ত থেকে কেউ আপনার রাউটারের লগইন পেজ ওপেন না করতে পারে।
- অ্যাডমিন ইউজারনেম ও পাসওয়ার্ড পরিবর্তন করুন: ডিফল্ট ইউজারনেম 'admin' এবং পাসওয়ার্ড 'admin' রাখা সবচেয়ে বড় ঝুঁকি। নিজের জন্য আলাদা শক্তিশালী অ্যাডমিন পাসওয়ার্ড তৈরি করুন।
- স্মার্ট ডিভাইসের জন্য Guest Network বানান: স্মার্ট টিভি, সিসিটিভি ক্যামেরা বা অপরিচিত মেহমানদের জন্য আলাদা Guest Network তৈরি করুন এবং LAN Isolation চালু রাখুন যাতে তারা আপনার ব্যক্তিগত পিসির ফাইলে প্রবেশ করতে না পারে।
- UPnP (Universal Plug and Play) নিষ্ক্রিয় করুন: ডিভাইসে ম্যালওয়্যার থাকলে তা UPnP ব্যবহার করে স্বয়ংক্রিয়ভাবে রাউটারের ফায়ারওয়ালে ব্যাকডোর পোর্ট খুলে দিতে পারে।
- ফার্মওয়্যার আপ-টু-ডেট রাখুন: রাউটার প্রস্তুতকারকের অফিসিয়াল সাইট থেকে লেটেস্ট সিকিউরিটি প্যাচ ও ফার্মওয়্যার ইন্সটল করুন।
- SSID নামের সাথে নিজের পরিচয় গোপন রাখুন: ওয়াইফাইয়ের নাম হিসেবে নিজের ফ্ল্যাট নাম্বার বা ফোন নাম্বার ব্যবহার করবেন না।
- DHCP ক্লায়েন্ট তালিকা নিয়মিত মনিটর করুন: সপ্তাহে অন্তত একবার 192.168.0.1 এ লগইন করে দেখুন অচেনা কোনো ডিভাইস আপনার ব্যান্ডউইডথ চুরি করছে কি না।
- কানেক্টেড ডিভাইস লিমিট করুন: আপনার ঘরে যদি ৫টি ডিভাইস থাকে, তবে রাউটারের DHCP পুলে সর্বোচ্চ ৫-৬টি আইপি অ্যাসাইন করার সীমা নির্ধারণ করে দিন।
সাধারণ প্রশ্ন ও উত্তর (FAQ):
ওয়াইফাই নাম (SSID) হাইড বা লুকিয়ে রাখলে কি হ্যাক হওয়া বন্ধ হয়?
না, এটি একটি ভুল ধারণা। SSID হাইড করলেও নেটওয়ার্ক ট্রাফিকের ভেতরে 'Beacon Frame' চলতে থাকে, যা যেকোনো বেসিক নেটওয়ার্ক স্ক্যানার দিয়ে সহজেই শনাক্ত করা যায়। SSID হাইড করার চেয়ে শক্তিশালী WPA2-AES পাসওয়ার্ড এবং WPS বন্ধ রাখা শতগুণ বেশি নিরাপদ।
রাউটার হ্যাক হয়েছে কি না কীভাবে বুঝব?
যদি দেখেন ইন্টারনেট খুব স্লো হয়ে গেছে, রাউটার অ্যাডমিন পেজে অচেনা ফোন বা ল্যাপটপের নাম দেখাচ্ছে, অথবা ব্রাউজ করার সময় অদ্ভুত বিজ্ঞাপনে রিডাইরেক্ট হচ্ছে—তাহলে বুঝবেন রাউটারের নিরাপত্তা লঙ্ঘিত হয়েছে। তাৎক্ষণিকভাবে রাউটার রিবুট দিয়ে ওয়াইফাই এবং অ্যাডমিন উভয় পাসওয়ার্ড পরিবর্তন করুন।
Our networking steps are lab-tested against standard RFC 1918 private networking protocols across Windows 11 (24H2), macOS Sequoia (15.1), iOS 18, and Android 15. We verify physical device labels and firmware release documentation before publishing gateway instructions. Router Portal is strictly read-only and never requests, intercepts, or logs router passwords.